Wednesday, 20 May 2015

নৈবেদ্য

(যারা ব্লগ পড়েন এবং লেখেন সে যে কারনেই হোক এই লেখাটা তাদের সবার জন্য )

সংসার ছুটে যাচ্ছে ক্রমশই সংগ্রামী লয়ে
ঙং আং অং কং খং গং লণ্ডভণ্ড করে নম পুষ্পাঞ্জলি
গীত গোবিন্দ থেকে ডুব দিয়ে তুলে আনি  পদ্যপ্রপাত
তামার রেকাবিতে সাজিয়ে দিলাম সব উন্মুখ প্রাণ।
দারুচিনি দেশ থেকে নিয়ে আসি সমস্ত মায়াময় গান
শঙ্খের ধ্বনি দিয়ে জাগরূক হোক আজ অলস সমাজ
গুস্তাকি মাপ হোক যেখানেই ভুল  কিছু হয়ে গিয়ে  থাক
পরশ পাথর পেলে এ জন্ম ছোঁব আমি প্রকৃতি আস্বাদ
তরঙ্গের উত্তরণে উদ্দীপ্ত হয়ে গেছে আবহ মণ্ডল
রাত ভর মিছিলের হাঁটা শেষে যেমনটি  ভৈরবী রাগ
আয় ব্রহ্ম লিখে যাই অপূর্ব মোহ ভক্তি সাধ্য আর ছন্দবদ্ধতায়।


Wednesday, 13 May 2015

ভালোবাসার টুকরো ছবি

জীবনের কিছু মোড় আছে কিছু সিদ্ধান্ত আছে যা যে মানুষ টা নিচ্ছে তাঁর কাছে যেমন গুরুত্বপূর্ণ সেরকমই তার চারপাশের জড়িয়ে থাকা মানুষদের কাছে তা হয়ে ওঠে প্রভাবিত করার উপকরণ। আর একটা ব্যাপার আর সবথেকে মুল ব্যাপার হল এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা। সিদ্ধান্ত সময়োচিত হলে তিনি সফল আর তা না হলে সেটা আর সিদ্ধান্ত বলে মনে হয়না। আর একটা ব্যাপার হল আমাদের দেশ কাল সমাজ। এ এমন এক মৈত্রীমণ্ডল এমন এক ছায়া যুদ্ধ এমন এক অপরিবেশ বান্ধব যে আজ রাতে রুটির সাথে পেঁয়াজ পাতে থাকবে কিনা সে সিদ্ধান্ত আমাদের হাতে থাকেনা অনেক সময়। এরকম একটা বিষম সময় হুট করে তিনি সেই ভুবনজয়ী সিদ্ধান্তটা কত অনায়াসে নিয়েছিলেন। এক জ্ঞান তিতিক্ষু মন নিয়ে মাঝ রাতে ঠিক হয়ে গেল সরকারি চাকরির দরকারি কাজ গুল ছুড়ে দিয়ে কাল সকাল থেকে হবে শুধু লেখা লেখির কাজ। ভুবনজয়ী সিদ্ধান্ত। তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন আর আমরা প্রভাবিত হলাম।

Monday, 11 May 2015

বাঁচার গান।


ফুল ছোঁড়গো পুষ্প দয়াল মাঝরাতে।
আসর যাব ব্যান্ড বাজছে শিশুর মন,
এলোমেলো কথা বারতা দিগদিশাহীন,
আর কত গো পুড়বো আমি আত্মতেজে,
বাঁচব আমি আরও বাঁচব মধুরবেদন,
যাক ছিঁড়ে যাক সব-ভাবনা গরল দহে,
ফুল ছোঁড়গো পুষ্প দয়াল মাঝরাতে।

Thursday, 7 May 2015

রাজপ্রাসাদ


আমাদের একটা রাজপ্রাসাদ আছে। এর নানা রঙ। নানা মহিমা। যখন উচ্ছ্বাস পিছলে বেরয় হৃদয় থেকে আমরা প্রাসাদের এই কক্ষ টাতে যাই। এখানে থরে থরে রয়েছে তাঁর হাতে সাজান আনন্দের উপঢৌকন। যেমন খুশি হাতে নেয়া যায় তা। মনে হয় "আনন্দধারা বহিছে ভুবনে"। ভুবন আলো করা কক্ষ এটা আমাদের রাজার রাজপ্রাসাদে। অন্য দিকে যখন আমরা শোক পাই তখন ওই বিশাল থাম টাকে আঁকরে ধরি। মনে হয় সমস্ত শোক তাপ ওখানে প্রাজ্ঞ হয়ে থামটা দাঁড়িয়ে আছে গাছের মত। আমরা যারা কাজ করি, রোদ্দুরে ঘাম ঝরে ক্লান্ত হই, আমাদের ও এক কক্ষ আছে। সেখানে দেখতে পাই আমাদের ই শ্রম এখানে হয়ে আছে নানা কারুকার্য। যারা খেলতে থাকি সারাদিন আর এক দম পড়তে ভালবাসিনা  তাদের ও কঠিন কঠিন পড়া সহজ পাঠ হয়ে খেলা ঘর হয়ে আছে প্রাসাদের ভিতর। আর ও কত কক্ষ যে রয়েছে এখানে এক জীবনে তা প্রদক্ষিণ করা মুশকিল।